Home » উত্তর-পূর্ব ভারত » গুজরাট-হিমাচলের পর বিজেপির প্রথম টার্গেট এবার ত্রিপুরা

গুজরাট-হিমাচলের পর বিজেপির প্রথম টার্গেট এবার ত্রিপুরা

আগরতলা: গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে নির্বাচনে জয়ের পর ত্রিপুরাই এখন বিজেপি-র প্রথম লক্ষ্য। দিল্লি থেকে অমিত শাহের ঘোষণার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লবকুমার দেব এর পুনরাবৃত্তি করেছেন।

মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লবকুমার দেব বলেন, “ত্রিপুরায় ক্ষমতাসীন সিপিআইএম ভেবেছিল গুজরাটে বিজেপির সরকারে প্রত্যাবর্তন সম্ভব হবে না। গতকাল নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর তাদের প্রাণবায়ু আটকে যায়। এখন তাদের অন্তিম দশার কাউন্ট-ডাউন শুরু হয়ে গেছে। ত্রিপুরায় এসে আরএসএস-প্রধান সামাজিক এবং মানবজীবনের নতুন দিশা দিয়ে গেছেন। তাতে নাগরিকদের চিন্তা-চেতনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”
তিনি বলেন, “মূর্তি ভেঙে মন্দিরে হামলা চালিয়ে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করে সিপিআইএম নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ এ সব বুঝে গেছেন। গতকাল রাজ্যে বিজয় মিছিলে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিয়েছেন। সিপিআইএম নেতারা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে গিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের পুশব্যাক করা হবে বলে প্রচার করছে ক্ষমতাসীন সিপিআইএম। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর, সংখ্যালঘুদের নয়, কমিউনিস্ট চিন্তাধারাকেই চীনে পুশব্যাক করে দেবে, এই সহজ কথাটি তাদের বোঝা উচিত।”

তিনি উল্লেখ করেন, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। রাজ্যে সুদিন আসছে।

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি বিপ্লবকুমার দেব মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে প্রকাশ্য মঞ্চে বিতর্কের জন্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে গুপ্তহত্যার পথ ছেড়ে দিয়ে সরাসরি লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে বিজেপি-র কার্যকর্তাদের গোপনে তালিবানি কায়দায় হত্যা করা হচ্ছে। সম্প্রতি গৌরহরি মলসম এবং তার পর সুনীল দেবকে তালিবানি কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। শিরা, ধমনি কেটে দিয়ে মৃত্যুর আগে তাঁদের ছটফট করার দৃশ্য দেখেছে আততায়ীরা। কিন্তু পুলিশ প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করছে না। যারা ঘটনার সঙ্গে আদৌ যুক্ত নয় কিংবা ঘটনার সময় এলাকায় ছিল না তাঁদের পুলিশ পার্টি অফিসের নির্দেশে গ্রেফতার করছে। প্রকৃত রহস্য গোপন করার চেষ্টা চলছে।” তিনি আরও বলেন, “হিংসা ছেড়ে দিয়ে মুক্ত মঞ্চে সাংবাদিক ও সাধারণের উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তাঁর দলের যে কোনও নেতা বিজেপি নেতাদের মুখোমুখি হোন। মুখ্যমন্ত্রীকে বিতর্কের জন্য চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে বিজেপি। এ সবে তারা রাজি হবে না জানি, তবু আহ্বান জানাচ্ছি তাঁদের। কারণ তাঁরা তাঁদের দুর্বলতা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে।”

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ত্ৰিপুরায় অমিত শাহর জনসমাবেশ সফল করার প্ৰস্তুতি বিজেপি-র

আগরতলা: আগামী ৭ জানুয়ারি ত্ৰিপুরার আমবাসা ও উদয়পুরে বিজেপি-র সৰ্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর নিৰ্বাচনী জনসমাবেশকে ...