Home » পশ্চিমবঙ্গ » বিশ্ববাংলার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিয়োগ বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন মুকুলের

বিশ্ববাংলার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিয়োগ বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন মুকুলের

সিউড়ি, ২৪ডিসেম্বর (হি.স.): নেতা মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ে ভাইপো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশ্ববাংলার যোগ সূত্রে বেধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের আগুন ঠান্ডা হতে না হতে তাতে ফের তিনি ঘি ঢলে তার দাবীতে অনড় থাকার পাশাপাশি তিনি এবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিয়োগ নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ তুললেন। শুধু অভিযোগ নয়। তিনি বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার কথাও এদিন ঘোষণা করেন।

রবিবার বীরভূমের সিউড়িতে বীরভূম জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল | সেই মিছিলে উপস্থিতি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, শায়ন্তন বসু, মহিলা সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জী প্রমুখ। সেই সঙ্গে ছিলেন দলের জেলা নেতৃত্বরা।
এদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ সিউড়ি পুলিশ লাইনের কাছে থেকে বিজেপির মহামিছিল শুরু হয়। সেই মিছিল শহরের কিছু প্রধান সড়ক পরিক্রমা করে সিউড়ি জেলা স্কুলের ময়দানে শেষ হয়। সেখানেই আগে জনসভা করার কথা ছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রবিবার বীরভূমের তাতিপাড়ায় বিজেপির পক্ষ থেকে একটি জনসভা করার কথা ছিল। তারজন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপর দলের পক্ষ থেকে ফের সিউড়িতে সভা করার কথা ছিল বিজেপির। সিউড়ি পুরসভার তরফে সেই সভার অনুমতি প্রাথমিকভাবে দেওয়া হলেও আগের দিন তা বাতিল করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এরই প্রতিবাদে এদিন বিজেপির তরফে সিউড়ি শহরে একটি মহা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এদিন মিছিলে প্রায় হাজার পাচেক বিজেপির কর্মী সমর্থক যোগ দিয়েছিলেন বলে দলীয় তরফে দাবী করেছেন জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়। এদিকের সভার অনুমতি না মেলায় জেলা স্কুল ময়দানে মিছিল শেষে একটি গাড়ির মধ্যে থেকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়েই দলের রাজ্য নেতা মুকুল রায় তৃণমূল সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী ও তার দলের নেতা কর্মীদের আক্রমণ করেন। তিনি তার বক্তব্যে আগে বিশ্ববাংলা নিয়ে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নাম জুড়ে নানা অভিযোগ তুলে ছিলেন । সেই অভিযোগ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তারপর ফের তিনি সেই অভিযোগের ওপর অনড় থেকে বিশ্ববাংলার মালিকানা নিয়ে ফের একটা প্রশ্ন তুলে দিলেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, “উনি তো অনেক বড় বড় কথা বলেন। আমার একটাও রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া কি উনি দিয়েছেন? উনি বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বললেন একটা বড় ‘ব’ আকৃতির ছবি একে একটা গোলের মধ্যে রেখেছে সেটা নাকি তার সৃষ্টি। সেটা তিনি সরকারকে দিয়ে দিয়েছেন। তিনি সেটা সরকারকে দিয়েছেন ২০১৩-এর সেপ্টেম্বর মাসে। তাই যদি দিয়ে থাকবেন তাহলে ২০১৩ সালেরন নভেম্বর মাসে তার ভাইপো নিজের মালিকানা নিয়ে কর্পোরেট এফেয়ার্স মিনিস্ট্রিতে দাবী করল কেন? ভাইপো আবার এফিডেফিট করে বলছে সে যা করেছে সেটা নাকি মমতার অনুমোতি নিয়ে করেছে।” তৃণমূল কংগ্রেস দল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি কটাক্ষ করে বিশ্ববাংলার মালিক যে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় সেই মন্তব্যকেই আবার জোরালো করলেন মুকুল রায়।
এদিন তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসটা তৃণমূল কংগ্রেস নেই। ওটা এখন পিসি ভাইপোর কোম্পানী। আর যারা ওই সিউড়িতে তৃণমূল পার্টি অফিসে বসে আছেন চেয়ার নিয়ে লাইন দিয়ে। তারা হচ্ছেন সেই পিসি ভাইপোর কোম্পানীর কর্মচারি।” এদিন তিনি ফের চিটফান্ড কোম্পানী রোজিভ্যালির সঙ্গে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের তুলনা করে বলেন, “রোজ ভ্যালির নাম শুনেছেন তো। ওরা কিছু লোক নিচে তলার লোকেদের গিয়ে বিভ্রান্ত করত। এরা সেই পিসি ভাইপোর কোম্পানী। আর এলাকায় কিছু লোক আছে যারা ওই কোম্পানীর কর্মচারি মাত্র। তাদের দল টল কিছু নেই।”

শুধু তাই নয় এবার বিশ্ববাংলার পাশাপাশি তার ঝুলি থেকে বেড়িয়ে এল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে। এই ঘটনায় তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “পার্থদা কেন শিক্ষা মন্ত্রী আছেন? পার্থ চ্যাটার্জি একজন উপাচার্য নিয়ে এসেছেন। সেই উপাচার্যটা কে? যিনি আমাদের ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারি। যিনি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে দক্ষিণ কলকাতা থেকে টালিনালাতে খেদিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি মমতাকে তৈল মর্দন করে আজ ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারি হয়েছেন । সেই আলাপন বন্দোপাধ্যায়ের বৌ হচ্ছে আজকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। যিনি আজ অবধি একটা কলেজেও কোনও দিনও পড়ান নি। এই যোগ্যতা নিয়ে তিনি আজকে উপাচার্য। বিজেপির পক্ষ থেকে এবিষয়ে রাজ্যপালের কাছে আপিল করা হবে | ”
বিজেপির ক্ষমতা প্রসঙ্গে এদিন নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে বলেন, “ইন্দিরা গান্ধী যেটা পারেনি সেটা নরেন্দ্র মোদী পেরেছেন। তিনি ভারতের ১৮টা রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী এখনই ভারতের ১৯টা রাজ্যে ক্ষমতায় এসে গেছে। বাকি গুলোও দখল করে ফেলবেন।” এদিন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বদলা নয় বদল চাই’ নীতির বদলে কর্মীদের বদলা নেওয়ার নীতি অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন, “আমাকে মারল বলে হাত ফুলিয়ে চলে এসে অভিযোগ করলে হবে না। এবার থেকে পালটা হাত ফুলিয়ে দিয়ে আসতে হবে। এখন কাঁদার দিন নয়। চোখ দিয়ে জল নয় আগুন ঝরাতে হবে। এখন আর সেই শ্লোগান নেই। এখন শুধু বদলার রাজনীতি হবে।”

এদিন মুকুলবাবু অনুব্রত মণ্ডলের নাম না করে তার বিভিন্ন দূর্নীতির কথা ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন। তিনি বলেন, “কুড়িটা সিকিউরিটি নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলা যায়। আমি আজ আর ওকে নিয়ে কোনও কথা বলব না। আগামী দিনে ওকে নিয়ে মঞ্চ থেকে যা কথা বলব তাতে ওকে আগামী দিনে হয় রাজ্য থেকে পদ থেকে সরিয়ে দেবে অথবা ও নিজে পদ ছেড়ে চলে যাবে।”
বিগত দিনে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বিরোধী প্রার্থী দিতে না দেওয়ার হুমকির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এদিন মুকুল বাবু বলেন, “জেলা পরিষদে বলেছে আমাদের প্রার্থী দিতে দেবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করে গেলাম আপনার ক্ষমতা থাকলে আপনি ঠেকাবেন। আর বিজেপির ক্ষমতা থাকলে জেলা পরিষদ পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রার্থী দেবেই। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে পশ্চিম বাংলায় কোনও জেলা পরিষদ পাব জানি না বীরভূম জেলা পরিষদ মারা জিতবই এটা বলে গেলাম।”

এমন কি তিনি মঞ্চ থেকে সবংয়ে বিজেপির তৃতীয় স্থানে থাকার কারন প্রসঙ্গে বলেন, “সবংয়ে আমরা তৃতীয় হয়েছি। কিন্তু আমাদের ভোট বেড়েছে। আমরা প্রথম হওয়ার লক্ষে লড়াই করছি।” এদিন তিনি বীরভূমের পুলিশ আধিকারিকদের নাম উল্লেখ্য করে সভা মঞ্চ থেকে হুমকি দিয়ে বলেন, “সিউড়ির আইসি-র নাম হল দেবাশীষ পান্ডা। বয়স বড় জোর ৪০ কি ৪৫। দেবাশীষ বাবু আপনি শুনে রাখুন আপনি ১৫ বছর চাকরি করবেন কিন্তু ১৫ বছর মমতা আপনাকে বাচাবে না। আমি জানতাম এখানকার এসপি সুধীর কুমার নীল কান্তম এবং ডিএম পি মোহন গান্ধী খুব বিচক্ষন অফিসার। কিন্তু এই রকম ভাবে কোনও আধিকারিক পায়ে লুটিয়ে পড়ে আমার জানাছিল না। আমরা কি চয়েছিলাম! আমরা শুধু একটা সভা করতে চেয়েছিলাম। মমতা বন্দোপাধ্যায় ক্লেম করেন পশ্চিম বাংলার আইন শৃঙ্খলা সব থেকে ভাল। আমরা সভা করতে চেয়েছিলাম রাজনগর তাতিপাড়ায়। সেটা বোলপুর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে। তাহলে বোলপুরে হচ্ছে পৌষ মেলা আর সেখানে সভা করতে দেবে না পুলিশ বলে। এটা কেমন ব্যাপার? সিউড়ির মাটিতে জনসভা করতে চাইলাম তাও বলল করা যাবে না।”
অন্যদিকে এদিনের সভা মঞ্চ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সবংয়ের ফলাফল প্রসঙ্গে বলেন, “সবংয়ে আমরা মাত্র দুই শতাংশ ভোট পেতাম। সেখান থেকে ১৮ শতাংশ ভোট পেয়েছি। আমাদের ভোট বেড়েছে । আর তৃণমূলের ভোট কমেছে। ওখানে যিনি জিতেছেন সেই মানসবাবু একবার সিপিএমের ঘারে আর একবার তৃণমূলের ঘারে বন্ধুক রেখে কাজ হাসিল করেছেন। সিপিএমের সময় ওনার যা ভোট ছিল এবার তৃণমূলে এসে তা কমে গেছে। আর বিজেপির ভোট বেড়েছে। আমরা তৃতীয় হয়েছি ঠিকই। কিন্তু প্রথম হওয়ার লক্ষে লড়াই করছি আমরা।” তিনি বীরভূমের সভা নিয়ে পুলিশের অনুমোতি না দেওয়া প্রসঙ্গে পুলিশ ও তৃণমূলকে তুলধনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা এখানে সভা করতে আসি নি। আমাদের সভা করার অনুমতি দেই নি বলে আমরা মিছিল করেছি। আমরা আইন মেনে কাজ করি। এর পর অনুমতি না দিতে আইন ভেঙ্গে অনুমতি ছাড়াই সভা করব। আর যদি তোমরা আমাদের আটকাও তাহলে আমরা তোমাদের বুকের ওপর দিয়ে হেটে চলে যাব।” এছাড়া এদিনের মঞ্চ থেকে দলের মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জী তৃণমূল এবং জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে তিব্র আক্রমণ করেন। তিনি এদিন তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ‘কানের গোড়ায় মারা’-র হুমকি দিয়ে বলেন, “এখানকার একজন গুন্ডা আছেন অনুব্রত মণ্ডল। যার মাথায় অক্সিজেন যায় না। তার পড়ার একটি মেয়ে গায়ে আগুন দিয়ে মারা গেল যার জন্য সেই অভিযুক্ত সেখ হাফিজুল তাকে এখনও শাস্তি দেওয়া হয় নি। আমরা বোলপুরের নির্যাতিতার জন্য শেষ দেখা দেখব। টাকা দিয়ে এই ঘটনায় মুখ বন্ধ করার চেষ্ঠা হচ্ছে। মহিলা কমিশনের বিরুদ্ধে কেস করা হল। ওই সব কেস ফেস করে কিচ্ছু হবে না। নিউট্রাল বডির বিরুদ্ধে কেস করা যায় না। দিল্লি থেকে ওদের আসতে হল। কিন্তু আপনার পাড়ায় এরকম ঘটনা ঘটল কেউ একজন দেখতে গেল না। সংবাদ মাধ্যমে বলেছে আমরা ওর পাশে আছি। মিথ্যা কথা বলেছে। আমরা সেই মেডিক্যাল কলেজ থেকে দেখে আসছি একটা কোনও লোক নেই। আমরা এর বিচার নিয়ে ছাড়ব।” এদিন তিনি সবংয়ের নির্বাচন নিয়ে পরিষ্কার অঙ্কের মাধ্যমে কর্মীদের বুঝিয়ে দিলেন নির্দিষ্ট অঙ্কের ভিত্তিতে বিজেপির ভোট বেড়েছে সবংয়ে। তিনি বলেন, “৫৭০ দিন পর ভোট হল সবংয়ে। প্রতিদিন যদি হিসাবে ধরি প্রতিদিন ৫৬টা করে ভোট পেয়েছে বিজেপি। এখনও তিন বছর বাকি আছে। যদি প্রতিদিন ৫৬টা হিসাবে বিজেপি ভোট পায় তাহলে তিন বছর পর বিজেপির ভোট দাঁড়াবে এক লক্ষ পাঁচ হাজার। কথাটা যেন মাথায় রাখে। সবুজ আবীর মেখে ঘুরে বেড়িয়ে হবে না। মাথায় অঙ্ক তো ঢোকে না। অঙ্কটা শিখুন। ওনার ভাষায় বিজেপির নৈতিক জয় হয়েছে।”

সভা মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতা শায়ন্তন বসু অভিযোগ তোলেন, “জায়গায় জায়গায় তৃণমূল কর্মী আর পুলিশ জাতিয় সড়কে অবরুদ্ধ করে দিয়েছে। আমাকেও হেটে আসতে হয়েছে। আজই কেন্দ্রের কাছে অভিযোগ যাবে এই ডিএম আর এস পি-র বিরুদ্ধে। ওরা অবরোধ করেছে কারন যাতে বিজেপির লোকেরা মিছিলে যেতে না পারে। অনুব্রতর চোদ্দ গুষ্টির ক্ষমতা নেই যে পরিমাণ লোক আজ বিজেপিতে এসেছে সেটা জোগার করার। যে দিন ক্ষমতা চলে যাবে সেই দিন তৃণমূলের পিঁপড়ে অনুব্রতকে কামরে কামরে শেষ করে দেবে। এর আগে রাম নবমীতে লাঠি চালিয়ে তার পরিণামে ওগুলোকে বাঁদর নাচ নাচতে হয়েছিল। আজকে এই প্রতিবাদ মিছিলে যারা বাধা দিয়েছেন তারা শুনে রাখুন আমরা কিন্তু এর প্রতিশোধ নেব। আগামী ৬ তারিখ ফের বীরভূমে সভা হবে। বোলপুরে কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনায় কেন এখনও পুলিশ ব্যবস্থা নেয় নি। পুলিশ কি চুরি পরে আছে না তৃণমূল নেতার পা টিপে দিচ্ছে।”

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

উলুবেড়িয়া উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা নিয়ে ধন্দ

কলকাতা: উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত ঘোষণা নিয়ে ধন্দ দেখা দিয়েছে৷ দলের ...