ভোট বৈতরণী পার হতে নববর্ষের দিন দেবতার শরনাপন্ন হলেন সব দলের প্রার্থীরাই

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: ভোট উৎসবের মধ্যেই সোমবার থেকে শুরু হল বাংলা নতুন বছরের পথ চলা।

সারাটা বছর যাতে ভালোভাবে কাটে সেই সংকল্প নিয়ে এদিন সকাল সকাল বিভিন্ন মন্দিরে পৌছে গিয়েছিলের বাঙালি ভক্তকুল। পিছিয়ে থাকেননি লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও।

প্রথা মেনে এদিন বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে হল নববর্ষের বিশেষ পুজোপাঠ। সকাল থেকেই মন্দিরে ছিল ভক্তদের ঢল। সরাদিন চললো পুজোপাঠ আর সকলের মঙ্গলকামনায় দেবীর কাছে প্রার্থনা। মন্দির চত্ত্বর জুড়ে এদিন অাঁটোসাটো করা হয়েছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বছর শুরুর দিনে দেবতার দ্বারস্থ হলেন লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও। এদিন সকালে স্ত্রী মণিকাকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানের কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। পুজোদিয়ে দিয়ে তার পর তিনি অংশ নেন রবিবাসরীয় ভোট প্রচারে। তাঁর সঙ্গী ছিলেন জেলা বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী সহ বহু দলীয় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। সংবাদমাধ্যমকে আলুওয়ালিয়া জানালেন, “দেবীর কৃপায় সকল বর্ধমানবাসীর মঙ্গল হোক। সবার জীবন ভালোভাবে কাটুক এই প্রার্থনাই দেবী কঙ্কালেশ্বরীর কাছে তিনি করেছেন বলে জানালেন।

একইভাবে এদিন কালনার মহিষমর্দিনী দেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন বর্ধমান পূর্বের বিজেপি প্রার্থী পরেশচন্দ্র দাস। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও দলনেত্রীর মঙ্গল কামনায় পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু এদিন সকালে পুজো দিলেন বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। বর্ধমান দুর্গাপুর আশনে প্রতিদ্বন্দী তৃণমূল প্রার্থী মমতাজ সংঘমিতাও এদিন সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দিয়ে তারপর ভোট প্রচারে অংশ নেন। একই পথে হেঁটেছেন বর্ধমান পূর্বের কংগ্রেস প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি কালনার সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দিরে পুজো সেরে তার পর এদিন প্রাচার কর্মূচিতে সামিল হলেন। কোন কোন প্রার্থী দেবতার কৃপা লাভ করলেন তার জন্য অবশ্য ২৩ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ছবি তুলেছেন পথিকৃৎদাস বৈরাগ্য

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *