সব্যসাচী দত্তের অনুগামীদের সঙ্গে কোন্দল কাকলী অনুগামীদের

ভোটের বাজার এখন সরগরম। এরই মধ্যে কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ লেগেই রয়েছে। আহত, নিহতের সংখ্যাও বাড়ছে। যতদিন না ভোট পর্ব মিটবে এবং মসনদ কার দখলে থাকছে সেই বিষয়টি যতক্ষণ না নিশ্চিত হচ্ছে ততদিন এরকম দাঙ্গা, মারামারি লেগেই থাকবে। রোজই এরকম চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

এরকমই একটি ঘটনা হল নিউটাউনের শিউলিপাড়ায় সব্যসাচী দত্তের অনুগামী স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী রেখা দাসের বাড়িতে হামলা করেছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে মারধরের অভিযোগ উঠল রাজারহাট পঞ্চায়েত সমিতির কর্মধক্ষ আফতাব উদ্দিনের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। আফতাব কাকলি ঘোষ দোস্তিদারের অনুগামী বলেও পরিচিত। নিউটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে সব্যসাচী দত্ত জানান, নিউটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রবিবার যা হয়েছে তাহল একজন ভদ্রমহিলার বাড়ির সামনে বেশ কয়েকজন পাড়ার ছেলেরা গিয়ে বসে পড়ে। তিনি প্রতিবাদ করায় তাকে ওই ছেলেরা মারধর করে বলে জানান তিনি। দলীয় গন্ডগোল থেকে বিষয়টা অন্যদিকে চলে গেছে। একজন বয়স্ক হিন্দু মহিলাকে এত দশ জন মুসলিম ছেলে ফেলে পিটিয়েছে তার ছেলে ও দেওরের সামনে। ফলে বিষয়টা এতো গুরুতর পর্যায় চলে গেছে। এখন প্রশাসন বুঝবে কি করা উচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে ও দুপুরে পরপর দুবার নিউটাউনের শিউলিপাড়ায় রেখা দাসের বাড়িতে হামলা চালায় একদল যুবক। অভিযোগ দুপুর বেলায় আফতাব অনুগামী ২০-২৫ জন হামলা চালায় রেখা দাস নামে একজনের বাড়িতে। তখন বাড়িতে রেখা দেবীর স্বামী স্বপন দাস বাড়িতে ছিলেন না। ছেলে সানু দাস ও দেওর সুশান্ত দাস ঘরে ছিলেন। রেখা দেবীকে মাটিতে ফেলে মারধর করতে দেখে এগিয়ে আসেন ছেলে সানু ও দেওর সুশান্তবাবু। তাদেরকে মারধর করে আফতাব অনুগামীরা। ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে আসে নিউটাউন থানার পুলিশ।

রেখা দেবী জানান, বাড়ির সামনে এসভেস্টস রাখা ছিল। আমি বললাম বসিস না সঙ্গে যাবে। তার পর আরেকটা ছেলে কিচ্ছুক্ষন পর এসভেস্টস পেতে বসে পড়ল। ও এসভেস্টস তুলে ছুঁড়ে মারল। আমরা তৃণমূল করি। ওরাও তৃণমূল কিন্তু আফতাবুদ্দিনের সঙ্গে থাকে। ওরা এলাকায় জুয়া খেলে মদ খায়।

রেখা দেবী নিউটাউন থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে নিউটাউন থানার পুলিশ। যদিও এখনও এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *